শারজা যুবলীগ কতৃক যুবলীগের ৪৬ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন

গত ১১ নভেম্বর  শারজার ফয়সাল রেস্টোরেন্টের হল রুমে শারজাহ আওয়ামী যুবলীগ ইউ এ ই কতৃক যথাযথ আনন্দ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে দক্ষিন এশিয়ার সর্ব বৃহৎ যুব সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের ৪৬ তম প্রতিষ্ঠিতা বার্ষিকী উদযাপন হয়।ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক মিজানুর রহমানের সঞ্চালনায় এই অনুষ্ঠানে ইউ এ ই কেন্দ্রীয় যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শফি  প্রধান অতিথি ছিলেন।উপস্থিত নেতা কর্মীরা কেক কেটে যুবলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন করেন।
অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সহ সভাপতি আবু বক্কর তাজু,
সহ সভাপতি মোস্তাফা জামান,
 যুগ্ম সম্পাদক শেখ নুরুল ইসলাম রাশেদ,
সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুল ইসলাম
যুগ্ন সাধারন সম্পাদক হাবিব,
সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মো: আলী,
দপ্তর সম্পাদক গিয়াস,প্রচার সম্পাদক সুমন মৃধা,সহ প্রচার সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক সহ আরো অনেকে।

শারজাহ যুবলীগের জেল হত্যা দিবস পালন

সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজার রোলার  বাওয়াবত আল বুখারী রেস্টোরেন্টের হল রুমে আরব আমিরাত আওয়ামী যুবলীগ  শারজাহ প্রাদেশিক কমিটির উদ্যোগে জেল হত্যা দিবস স্বরণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় ০৩/১১/২০১৮ তারিখ রোজ শনিবার।

শারজা যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জনাব নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক জনাব মিজানুর রহমানের সঞ্চালনায় এই সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন টাংগাইলের নাগর পুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জনাব জাকিরুল ইসলাম উইলিয়াম।প্রধান আলোচক ছিলেন আওয়ামী যুবলীগ আরব আমিরাত কেন্দীয় ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জনাব জাহাঙ্গির আলম।প্রধান বক্তা ছিলেন ইউ এ ই যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম শফিকুল ইসলাম শফি।
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, স্বাধীনতার চেতনাকে বিলুপ্ত করতে ঘাতক দল বঙ্গবন্ধুকে ও তার পরিবারকে হত্যা করে ক্ষান্ত হননি, পাশাপাশি তার সহচর জাতীয় চার নেতাকেও নির্মম ভাবে জেলখানায় হত্যা করেছে, কিন্তু ঘাতকরা বাচতে পারেনি, বিচার তাদের হয়েছে।তিনি প্রবাসে যুবলীগের সাংগঠনিক কর্ম তৎপরতার প্রশংসা করেন।
প্রধান বক্তা তার বক্তব্যে সু-সংগঠিত থেকে কাজ করে যাওয়ার আহবান জানান যুবলীগ নেতা কর্মীদের।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউ এ ই কেন্দ্রীয় যুবলীগের বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ আলমগীর আলম, দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ মিজান, ফুজিরা যুবলীগের সভাপতি ফরিদুল আলম,রাস আল খাইমাহ যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হারুনুর রশীদ,আজমান যুবলীগের আহবায়ক মোরশেদুল কাদের মুন্না, সদস্য সচিব হারুনুর রশীদ রঙ্গো, দুবাই যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক জাহেদুল করিম চৌধুরী, যুগ্ম আহ্বায়ক শিমুল মোস্তফা।
আলোচনা সভার শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন শারজাহ যুবলীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক শেখ নুরুল ইসলাম রাশেদ।এতে আরো বক্তব্য রাকেন ফজিরা যুবলীগের সিনিয়র সহ সভাপতি নাজিম উদ্দীন,শারজাহ যুবলীগের সহ সভাপতি মো: মোস্তাফা জামান,প্রচার সম্পাদক সুমন মৃধা,সারজাহ আল দাঈদ যুবলীগের সভাপতি ইদ্রিচ আলম তালুকদার,শারজাহ সানাইয়া যুবলীগের আহ্বায়ক আবু নাছের,সদস্য সচিব বাবুল হাজারী,দুবাই সোনাপুর যুবলীগের সভাপতি শেখ জামিল, সাধারণ সম্পাদক কাজ্বী মাসুদুর রহমান সহ  প্রমুখ।
উক্ত আলোচনা সভায় ইউ এ ই কেন্দ্রীয় যুবলীগের সাতটি প্রাদেশিক কমিটি ও ইউনিট কমিটির সকল নেতৃবৃন্দ ও মুজিব সৈনিক উপস্থিত ছিলেন।

বিপ্লব ও সংহতি দিবসে চবি ছাত্রদলের শ্রদ্ধাঞ্জলিঃ

বিপ্লব ও সংহতি দিবসে চবি ছাত্রদলের শ্রদ্ধাঞ্জলিঃ
-

'জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস' উপলক্ষে মহান স্বাধীনতার ঘোষক, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান (বীরউত্তম)-এর স্মৃতি বিজড়িত চট্টগ্রাম নগরীর ২ নং গেইটে অবস্থিত বিপ্লব উদ্যানে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করে চবি ছাত্রদল।

সভাপতি কে আলম ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ শহিদুল ইসলাম শহিদের নেতৃত্বে এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন চবি ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাইনুদ্দিন আহমেদ সুমন, আজাদ হোসেন সোহেল, ইমতিয়াজ ইকরাম, আব্দুল কাদের, সহ সাধারণ সম্পাদক রাহুল ধর, ইমাম হোসেন, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ফারহান মির্জা, অর্থ সম্পাদক হাসান আহমেদ, ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদিকা সুমি আক্তার,আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মহিয়ান, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক জালাল উদ্দিন সিদ্দিকী মিসবাহ, সহ প্রচার সম্পাদক আজিজ উল্লাহ, সহ দপ্তর সম্পাদক আইনুল হোসেন সাগর, সহ অর্থ সম্পাদক জোবায়ের আহমেদ খাঁন এবং হল ফ্যাকাল্টির আহবায়ক, সদস্য সচিব ও যুগ্ম আহ্বায়ক যথাক্রমে মোঃ ইউসুফ উদ্দিন, অহিদুর রহমান, নাজমুস সাকিব, আবদুল্লাহ আল মামুন,আবসার খাঁন,আল আমিন, মিজানুর রহমান রাজু, ইমন ফারহান, আহসান হাবিব প্রমুখ।

বাংলাদেশ প্রবাসী চুনতী সমিতির তৃতীয় বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠান সম্পন্ন।

বাংলাদেশ প্রবাসী চুনতী সমিতির
তৃতীয় বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠান সম্পন্ন।

গত ৫ নভেম্বর দুবাইয়ে বেষ্ট ওয়েস্টার্ন প্লাস পার্ল ক্রীক হোটেলের হলরুমে  বাংলাদেশ  প্রবাসী চুনুতী  সমিতির উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয় সমিতির তৃতীয় বর্ষ পূর্তি অনুষ্ঠান।প্রবাসী চুনতি সমিতির সভাপতি মো. নুরুল ইসলাম তাজুর সভাপতিত্বে ও অর্থ সম্পাদক মোক্তারুল ইসলামের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ কন্স্যুলেটের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আনিসুর রহমান। প্রধান বক্তা ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা এবং গাউছিয়া কমিটি দুবাইয়ের সভাপতি আলহাজ্ব মৌলানা ফজলুল কবির চৌধুরী।  বিশেষ অতিথি  ছিলেন  বিশিষ্ট সংগঠক  নুরুন্নবী চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন,প্রবাসীদের প্রেরিত রেমিটেন্স দেশের উন্নয়নে একটি চালিকা শক্তি। সেই কথাটি মাথায় রেখে আমরা যে যেই দলই করিনা কেন সেদিকে না থাকিয়ে দেশের উন্নয়নে ঐক্যবদ্ধ ভাবে সবাই কাজ করতে হবে। কারন দেশ আপনার আমার সকলের। বক্তারা আরো বলেন, এই সমিতিটি প্রবাসী ও দেশের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে । তাই সংগঠনটি প্রতিষ্টার পর থেকে আমিরাতে প্রবাসীদের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে।
তারা আরো বলেন, প্রবাসে অসহায় প্রবাসীদের এবং দেশে কারো কোন রক্তের প্রয়োজন হলে প্রবাসী চুনতি সমিতির  কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। কারণ এই সংগঠনের সকল কর্মকর্তা ও সদস্যদের পক্ষ থেকে ব্লাড দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে। ইতিমধ্যে সকলের ব্লাড টেস্ট করে ব্লাড গ্রুপ নির্ধারণ করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ ও সংগঠনের সতস্যবৃন্দকে বিভিন্ন সেবা মূলক কাজের স্বীকৃতি হিসাবে সম্মাননা ক্রেস্ট করা হয়। এছাড়া সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের জন্য একুশে টেশিভিশনের আরব আমিরাত প্রতিনিধি সাইফুল ইসলাম তালুকদারকে সম্মাননা ক্রেষ্ট প্রদান করা হয়।
বিশেষ অতিথি হিসাবে আরো উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহ সভাপতি সেলিম আহমদ  সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান, কমিউনিটিনেতা  কাজী মোহাম্মদ আলী, সাংবাদিক সাইফুল ইসলাম তালুকদার, মো. সেলিম, মো. জবরুল ইসলাম,  ফখরুল ইসলাম, মোহাম্মদ  ইকবাল হোসেন খান, মো. এনামুল হক, মো. জুনাইয়েদ মিয়া প্রমূখ।

মরুর দেশে বৃষ্টি

এক পশলা বৃষ্টি -মরুর দেশে যেন উৎসব তূল্য।

আবদুস শাকুর
শারজা, আমিরাত

বৃষ্ঠি নিয়ে কাজী নজরুল লিখেছিলেন, "চপল বিদ্যুতে হেরি' সে চপলার ঝিলিক হানে কন্ঠের মনিহার, নীল আচঁল হতে তৃষিত ধরার ছুড়ে ফেলে মুঠি মুঠি বৃষ্টি শেফালিকা"। মরুর দেশে নজরুলের এই বাণী বেশিই মনে পড়ার কথা,কারন এক পশলা বৃষ্টি যেন আরব দেশ গুলুতে সোনার হরিণ।কালে ভদ্রে সামান্য বৃষ্টি পাত হয় আরব আমিরাতে,হলেও সেটা কিছুক্ষন স্থায়ী থাকে,তাই বৃষ্টি হতে দেখলে মহা খুশির জোয়ার নেমে জন-জীবনে।ড্রাইবার রাস্তার গাড়ি চালনোর সময় সেল্ফিতে ব্যাস্ত হয়ে পড়ে,উচ্চ ভবন থেকে জানালার ফাঁকে উকি দিয়ে বৃষ্টি দেখতে শুরু করে উৎসুক সবাই ।আজ সাড়ে ১০ টার দিকে বৃষ্টি হয় শারজায়,হঠাৎ আকাশে বিদ্যুত চমকালো,চমকালো অনুভুতি,মুহুর্তেই আবার উধাও।তাই বলা যায় বৃষ্টি মানেই আরব দেশ গুলুতে উৎসব তূল্য,যা দেখে ক্ষনিকের জন্য জন-জীবন হয় মাতোয়ারা।

চট্টগ্রামে বিয়ের কাবিন -সংস্কৃতি না অপ-সংস্কৃতি!

চট্টগ্রামে বিয়ের কাবিন নিয়ে বাড়াবাড়ি -সংস্কৃতি না অপ-সংস্কৃতি!

বিয়েকে কেন্দ্র চট্টগ্রামে অপ-সংস্কৃতির যেন অন্ত নেই।একের একের যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন দিক,যা মানুষ কে নীরবে কস্ট দিয়ে যাচ্ছে।এসব অপসংস্কৃতির মধ্যে কাবিন টা অন্যতম। মুসলিম বিবাহ আইনে বর স্ত্রিকে মোহরানা বা কাবিন প্রধান করবে, এটির পরিমান ইসলামে সর্বনিম্ন ১০ দেরহাম পরিমান হলেও বেশি কত হবে সেটা নির্ধারিত নয়।বর এবং কনের সম্মতিতে নির্ধারিত হওয়ার বিধান থাকলেও আমাদের দেশে অবিভাবকরাই মূলত মোহরানা ধার্য করে থাকেন।বরের আর্থিক অবস্থা,কনের আত্বীয় সজনের (খালাত বোন ফুফাত বোন ইত্যাদি) 'র কাবিন কত, সেটার উপর ভিত্তিতে এটা অবিভাবকরা দু পক্ষের সম্মতিতে নির্ধারন করেন।আজ থেকে ৮/৯ বছর আগেও এটি ঠিক ইসলামে যে রকম বলা হয়েছে সেটা অনুস্বরণ করে করা হত।কিন্তু দিন দিন মানুষ এটাকে জটিল এং কঠিন করে তুলছে। এখন মেয়ে পছন্দ হয়েছে বললেই কনে পক্ষ আগে থেকে ২০ লক্ষ কাবিন দিতে হবে, এমন দাবী নিয়ে বসে থাকে,এবং এক্ষেত্রে অন্যদের উদাহরন গুলু পেশ করে,না হয় তারা সাফ জবাব দেয় হবেনা বলে। পরিণতিতে বর পক্ষ অসহায়ের মত এটা সংস্কৃতির অংশ হিসাবে মেনে নিয়ে রাজি হয়ে যায়,মোটেও চিন্তা করেনা তার সামর্থ কতটুকু।কিন্তু পরে দেখা যায় যখনই কোন পারিবারিক সমস্যা দেখা দেয়, কনে পক্ষ থেকে চাপ দেওয়া শুরু হয় বিভিন্নভাবে ,কাবিন বেশি হওয়ায় অসহায়ের মত আচারন করতে হয় বরকে।কারন সাধারনত কাবিনের টাকা গুলু পরিশোধ করা হয়না,তাই বর তৎক্ষনাৎ রাজি হলেও আদৌ চিন্তা করেনা তার সামর্থ কতটুকু।ফলে কোন কারনে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটলে এগুলু পরিশোধ করতে হয়, এবং এক্ষেত্রে হিমশিম খেতে হয়,ঘটে বিভিন্ন অনাকাঙ্গিত ঘটনা। সাম্প্রতি রাউজানে বিবাহ বিচ্ছেদ ও অতিরিক্ত কাবিন সংক্রান্ত কারনে মেয়ে আর শাশুড়ি মিলে মেয়ের জামাইকে জবাই করার ঘটনাও ঘটেছে।তাছাড়া এই সংস্কৃতির কারনে বিবাহ বিচ্ছেদ ও বাড়ছে চট্টগ্রামে। পত্রিকায় প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন মতে ঘন্টায় ২ টি বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে চট্টগ্রামে।২০ জানুয়ারী ২০১৮ যুগান্তরের রিপোর্ট বলছে এমনটি।২০১৭ সালে চট্টগ্রাম সিটির ২ টি আদালতে মোট ৩৯২৮ টি বিবাহ বিচ্ছেদের আবেদন জমা পড়ে।অনেকেই মনে করছেন বিবাহে অতিরিক্ত কাবিনের ফলে  অনেক মেয়ে পরকিয়ায় জড়িয়ে পড়ে।স্বামীর বিরুদ্ধে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এরা নিজ থেকেই তালাক বা বিবাহ বিচ্ছেদ চায়।মোটা অংকের কাবিন হওয়ায় অনেকেই সেটি করে বলে সাধারন মানুষের ধারনা

আবদুস শাকুর

আরব আমিরাতে সাধারন ক্ষমার মেয়াদ আর বাড়ছেনা

সংযুক্ত আরব আমিরাতে সাধারন ক্ষমার মেয়াদ বৃদ্ধির কোন সিদ্ধান্ত হয়নি এখনো।

সংযুক্ত আরব আমিরাতে ৩ মাসের সাধারন ক্ষমার মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী ৩১ শে অক্টোবর।সাধারন ক্ষমার মেয়াদ বৃদ্ধির কোন সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছে আরব আমিরাতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের"আবাসন ও বৈদেশিক বিষয়ক" অধিদপ্তরের মূখপাত্র লেফটেনেন্ট কর্ণেল আহমদ আল দাল্লাল। তিনি  সোমবার গাল্ফ নিউজ কে এই তথ্য জানান।গাল্ফ নিউজকে জনাব দাল্লাল বলেন,"এখনো অফিসিয়াল কোন সিদ্ধান্ত হয়নি মেয়াদ বৃদ্ধির।যদি মেয়াদ বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত পরবর্তিতে হয়ে থাকে,তাহলে ফেডারেল অথরিটি ফর আইডেন্টিটি এন্ড সিটিজন কতৃক সেটা প্রকাশিত হবে"।উল্লেখ্য অবৈধ অভিবাসীদের জন্য সাধারন ক্ষমা ঘোষনা হয়েছিল, যাতে অবৈধ ভাবে বসবাস-কারীরা নিজেদের বৈধ করে নিতে পারে,এবং যারা আউট পাস নিয়ে আরব আমিরাত ছাড়তে ইচ্ছুক কোন জেল জরিমানা ছাড়া, তারা যাতে আরব আমিরাত ছাড়তে পারে।সাধারন ক্ষমা শুরু হয়েছিল ১ আগস্ট থেকে, এই সুযোগ থাকবে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত।উল্লেখিত সময়ের মধ্যে, যাদের ভিসা নেই অবৈধ ভাবে অবস্থান করছে, তারা ভিসা লাগানোর সুযোগ পাবে,আর চাইলে তারা সংযুক্ত আরব আমিরাত ত্যাগ করতেও পারবে।সাধারন ক্ষমার আওতায় যারা আরব আমিরাত ত্যাগ করবে, তাদের পাসপোর্টে নো এন্ট্রি স্টাম্প পড়বেনা।জনাব লেফটেনেন্ট কর্ণেল আহমেদ আল দাল্লাল গনমাধ্যম কে বলেন," লোক-মূখে গুজব ছড়িয়ে পড়েছে সাধারন ক্ষমার আওতাধীন সেবা সমূহ দেওয়া হচ্ছে না এখন,এই গুজব ভিত্তিহীন।আমি সেবা প্রত্যাশিদের বলতে চাই,সাধারন ক্ষমা সংক্রান্ত যে কোন সেবা আমাদের সেন্টার সমূহে আপনারা ফেডারেল অথরিটি কতৃক নির্ধারিত তারিখ, ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত পাবেন"।আমের সেন্টার,তাহসিল অফিস সহ সংশ্লীষ্ট সকল সেবা সেন্টার সমূহে গিয়ে সাধারন ক্ষমা সংক্রান্ত সেবা সমূহ নেওয়ার আহবান ও করেন জনাব দাল্লাল।
তথ্য সূত্র ঃগাল্ফ নিউজ

আবদুস শাকুর
শারজা,আরব আমিরাত
০০৯৭১৫

সর্বশেষ পোস্ট

নিউজিল্যান্ডের ক্রাইসচার্চে ২টি মসজিদে সন্ত্রাসী হামলা, হতাহত অনেক।

নিউজিল্যান্ডে ২টি  মসজিদে সন্ত্রাসী হামলা, হতাহত অনেক। কোন কোন পত্রিকায় ২৭ জন নিহত হয়েছে বলে তথ্য এসেছে।নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চের দু...